Breaking News
Home / Exclucive / দেখে মাথা নস্ট হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় !! ফাপ্পর নয় দেখলেই বুঝবেন…ভালো লাগলে শেয়ার করুন |

দেখে মাথা নস্ট হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় !! ফাপ্পর নয় দেখলেই বুঝবেন…ভালো লাগলে শেয়ার করুন |

দেখে মাথা নস্ট হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় !! ফাপ্পর নয় দেখলেই বুঝবেন…ভালো লাগলে শেয়ার করুন

বি: দ্র : ই্উটিউব থেকে প্রকাশিত সকল ভিডিওর দায় সম্পুর্ন ই্উটিউব চ্যানেল এর ।

এর সাথে আমরা কোন ভাবে সংশ্লিষ্ট নয় এবং আমাদের পেইজ কোন প্রকার দায় নিবেনা।
ভিডিওটির উপর কারও আপত্তি থাকলে তা অপসারন করা হবে। প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা রকম ঘটনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরা এবং সামাজিক সচেতনতা আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য ।দেখুন তার পর মন্তব্য করুন পরবর্তী আপডেট পেতে পেইজ এ লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে আমাদের সাথেই থাকবেন।

অবাক করা তথ্য, যে কারনে রোহিঙ্গা নারীরা সারা বছর গর্ভবতী থাকেন!

মিয়ানমারের সেনা ও উগ্র মগদের গণহত্যা, ধর্ষণের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে প্রায় ৬ লাখ মানুষ। প্রাণে বাঁচতে তারা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয় শিবিরে অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু।

এছাড়া আশ্রিত নারীদের বিশাল অংশ হলো অন্তঃসত্ত্বা। আশ্চর্যের বিষয় হলো এসব রোহিঙ্গা নারীরা নাকি সারা বছরই গর্বভতী থাকেন। এ কথা শুনে হয়তো অনেকেরই চোখ কপালে উঠে যেতে পারে। কিন্তু রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে কথা বলেও এমন সত্যতা মিলেছে।

অন্তঃসত্ত্বা ও নির্যাতিত নারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেনা ও মগগোষ্ঠীর হাত থেকে সম্ভ্রম বাঁচাতে প্রায় সারা বছরই গর্ভধারণ অব্যাহত রাখেন রোহিঙ্গা নারীরা।

অনেকে আবার বলছেন, পারিবারিক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, বিনোদন ও সেনা নির্যাতনের ভয়, ইত্যাদি কারণে তাদের প্রায় সারা বছরই গর্ভবতী থাকেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বর্মি সেনাদের নির্যাতনের কথা। বর্মি সেনাদের নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে সারা বছরই নিজের গর্ভধারণে অব্যাহত রাখতেন রোহিঙ্গা নারীরা। এমনটাই দাবি তাদের

সরেজমিন কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, থ্যাংখালী, পালংখালী, টেকনাফের নয়াপাড়া ও লেদা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন স্বাস্থসেবা কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলোতে অধিকাংশ নারী ও শিশু। এদের মধ্যে বড় একটি অংশ অন্তঃসত্ত্বা নারী। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে মিলছে একই চিত্র।

আশ্চর্য ঘটনা, ভূমিষ্ঠ হয়েই হাঁটতে শুরু করলো এই সদ্যজাত শিশুটি!

মানব শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই শুরু করে কান্না। এছাড়া আর কী-ই বা করবে সদ্যজাত শিশুটি! কিন্তু না, এবার যা ঘটল তাকে চিকিৎসকরা ‘মিরাকল’ ছাড়া আর কিছুই বলতে পারছেন না। ভূমিষ্ঠ হওয়া মাত্রই নাকি হাঁটতে শুরু করেছে এই শিশু!নিজের চোখকে বিশ্বাস করা কঠিন হলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিও তো সে প্রমাণই দিচ্ছে।

হাসপাতালের বিছানায় প্রসবের ঠিক পরপরই রেকর্ড করা হয়েছে ভিডিওটি। যেখানে দেখা যাচ্ছে নার্সের হাতে ভর দিয়ে দিব্যি গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলেছে শিশুটি।সদ্যোজাত শিশুর হাড় অত্যন্ত নরম হওয়ায় তার ঘাড় সোজা হতেও কয়েক মাস সময় লাগে। হাত, পায়ের হাড়ও নরম হওয়ায় চলা ফেরার প্রশ্নই ওঠে না। আড়াই-তিন বছরের আগে সাধারণত শিশুরা একেবারেই হাঁটতে পারে না।

আর সেখানে জন্মের পরমুহূর্তেই এমন কাণ্ড তাক লাগিয়ে দিয়েছে বিশেষজ্ঞদেরও। ভিডিওটি কোথাকার, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ওয়ান্ডার চাইল্ডের কাণ্ড-কারখানা আপাতত ভাইরাল হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে অনেকেই মজা করে লিখেছেন, ৪জি-র যুগে জন্মের পর এভাবেই দ্রুত বড় হয়ে যাচ্ছে শিশু। অনেকে আবার সদ্যোজাতকে ‘স্পেশাল’ মনে করে ঈশ্বরের চমৎকার বলে আখ্যা দিচ্ছেন।